Get the latest legal updates, exam resources, and study guides delivered straight to your inbox.
© 2025 LawEntra. All rights reserved.
১৯শ বিজিএস পরীক্ষা ২০২৬: আবেদন, যোগ্যতা ও পরীক্ষার কাঠামো যা জানা জরুরি
১৯শ বিজিএস পরীক্ষা ২০২৬-এ কারা আবেদন করতে পারবেন, বয়স ও শিক্ষাগত যোগ্যতার শর্ত কী, আবেদন ও ফি জমার সময়সীমা কত, এবং Preliminary, Written ও Viva পরীক্ষার কাঠামো কেমন, প্রয়োজনীয় তথ্যগুলো একসঙ্গে সাজানো হয়েছে।
বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিসে (BJS) সিভিল জজ হিসেবে যোগ দেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে। বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশন ১৯শ বিজিএস পরীক্ষা, ২০২৬ এর বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। এই পরীক্ষার মাধ্যমে সিভিল জজ পদে নিয়োগের জন্য ২৫০ জন প্রার্থী নির্বাচন করা হবে।
যারা আইন বিষয়ে পড়াশোনা শেষ করেছেন বা শেষ পর্যায়ে আছেন, তাদের জন্য এই পরীক্ষার প্রতিটি তথ্য গুরুত্বপূর্ণ। আবেদন করার আগে যোগ্যতা, সময়সীমা এবং পরীক্ষার ধাপগুলো পরিষ্কারভাবে জানা প্রয়োজন।
১৯শ বিজিএস পরীক্ষার অনলাইন আবেদন শুরু হবে ৬ আগস্ট ২০২৬ দুপুর ১২টা থেকে।
আবেদনের শেষ সময়:
৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ রাত ১১টা ৫৯ মিনিট।
আবেদন শেষ হওয়ার পর কোনো আবেদন গ্রহণ করা হবে না। তাই শেষ দিনের অপেক্ষা না করে প্রয়োজনীয় তথ্য ও কাগজপত্র প্রস্তুত রেখে আবেদন সম্পন্ন করা ভালো।
এবারের বিজিএস পরীক্ষায় সিভিল জজ পদে নিয়োগের জন্য ২৫০টি পদ নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে প্রয়োজন অনুযায়ী পদসংখ্যা পরিবর্তনের ক্ষমতা কমিশন সংরক্ষণ করে।
BJS পরীক্ষায় আবেদন করতে হলে প্রার্থীকে আইন বিষয়ে নির্ধারিত শিক্ষাগত যোগ্যতা পূরণ করতে হবে।
প্রার্থীকে স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়েঃ
৪ বছর মেয়াদি স্নাতক (সম্মান) ডিগ্রি, অথবা
অর্জন করতে হবে।
শুধু ডিগ্রি থাকলেই আবেদন করা যাবে না; নির্ধারিত ফলাফল বা CGPA এর শর্তও পূরণ করতে হবে।
১৯শ বিজিএস পরীক্ষায় আবেদনকারীর বয়স ১ জুলাই ২০২৬ তারিখে সর্বোচ্চ ৩২ বছর হতে হবে।
বয়স নির্ধারণের ক্ষেত্রে মাধ্যমিক বা সমমান পরীক্ষার মূল সনদের তথ্য বিবেচনা করা হবে। বয়স প্রমাণের জন্য Affidavit গ্রহণযোগ্য হবে না।
আইন বিষয়ে স্নাতক বা স্নাতক (সম্মান) পরীক্ষায় অংশ নেওয়া প্রার্থীরাও নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করলে আবেদন করতে পারবেন।
তবে সংশ্লিষ্ট পরীক্ষা ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ বা তার আগে শেষ হতে হবে, অর্থাৎ আবেদনের শেষ তারিখের মধ্যে পরীক্ষার বিষয়টি সম্পন্ন থাকতে হবে।
BJS পরীক্ষার ধাপ
১৯শ বিজিএস পরীক্ষা তিনটি ধাপে অনুষ্ঠিত হবে:
প্রথম ধাপে থাকবে ১০০ নম্বরের MCQ পরীক্ষা।
এই পরীক্ষার কাঠামো:
Preliminary পরীক্ষার নম্বর পরবর্তী Written বা Viva পরীক্ষার সঙ্গে যোগ হবে না। এটি শুধুমাত্র Written পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার যোগ্যতা নির্ধারণ করবে।
Preliminary পরীক্ষায় প্রশ্ন থাকবে:
Preliminary পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীরা ১,০০০ নম্বরের Written পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন।
Written পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার জন্য:
অর্থাৎ Written পরীক্ষায় শুধু একটি বা দুটি বিষয়ে ভালো প্রস্তুতি যথেষ্ট নয়; প্রতিটি বিষয়ের ওপর সমান গুরুত্ব দিতে হবে।
Written পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের ১০০ নম্বরের মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে।
Viva পরীক্ষার পাস নম্বর ৫০।
আবেদন ফি ও পেমেন্ট
১৯শ বিজিএস পরীক্ষার আবেদন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ১,২০০ টাকা।
ফি জমা দেওয়ার সময়:
অনলাইন আবেদন সম্পন্ন করার পর Teletalk-এর মাধ্যমে নির্ধারিত নিয়মে ফি প্রদান করতে হবে।
Admit Card কবে পাওয়া যাবে?
আবেদনকারীরা User ID ব্যবহার করে ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ দুপুর ১২টা থেকে বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের ওয়েবসাইট থেকে Admit Card সংগ্রহ করতে পারবেন।
আবেদন করার আগে যেসব বিষয় খেয়াল করবেন
BJS আবেদনপত্রে দেওয়া তথ্য পরবর্তীতে যাচাই করা হয়। তাই আবেদন করার সময়:
ভুল বা অসত্য তথ্য প্রমাণিত হলে প্রার্থিতা বাতিল হতে পারে।
১৯তম BJS পরীক্ষার প্রস্তুতিতে কোন বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ?
BJS একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রস্তুতির পরীক্ষা। Preliminary এর জন্য MCQ অনুশীলনের পাশাপাশি আইন বিষয়ের মৌলিক ধারণা পরিষ্কার থাকা প্রয়োজন।
Written পরীক্ষার জন্য প্রয়োজন?
শুধু তথ্য মুখস্থ করার পরিবর্তে আইনের বিষয়গুলো বিশ্লেষণ করে বোঝার অভ্যাস Written ও Viva দুই ক্ষেত্রেই কাজে আসে।
শেষ কথা
১৯শ বিজিএস পরীক্ষা ২০২৬ আইন গ্র্যাজুয়েটদের জন্য বিচার বিভাগে প্রবেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ। বিজ্ঞপ্তির শর্ত অনুযায়ী যোগ্যতা যাচাই করে সময়মতো আবেদন করা এবং পরিকল্পিতভাবে প্রস্তুতি নেওয়াই এই পরীক্ষার প্রথম ধাপ।
বিজিএসের মতো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধারাবাহিকতা, সঠিক বিষয় নির্বাচন এবং নিয়মিত অনুশীলনই একজন প্রার্থীর প্রস্তুতিকে এগিয়ে নেয়।