Get the latest legal updates, exam resources, and study guides delivered straight to your inbox.
© 2025 LawEntra. All rights reserved.
‘নেগেটিভ মার্কিং’ থেকে বাঁচার উপায়: বিজিএস প্রিলিমিনারিতে স্কোর বাড়ানোর টেকনিক
‘নেগেটিভ মার্কিং’ থেকে বাঁচার উপায়: বিজিএস প্রিলিমিনারিতে স্কোর বাড়ানোর টেকনিক
বিজিএস (BJS) প্রিলিমিনারি পরীক্ষার সবচেয়ে বড় ভয় বা আতঙ্ক কোনটি? প্রশ্ন কঠিন হওয়া? নাকি সিলেবাসের বিশালতা? অধিকাংশ পরীক্ষার্থীর কাছে এর উত্তর একটাই—‘নেগেটিভ মার্কিং’ বা ভুল উত্তরের জন্য নম্বর কাটা যাওয়া।
অনেক শিক্ষার্থীই পুরো সিলেবাস পড়ে যান, অনেক নিয়ম মুখস্থ করেন; কিন্তু পরীক্ষার হলে গিয়ে অতিরিক্ত ঝুঁকি নেওয়ার কারণে জানা প্রশ্নগুলোর নম্বরও নেগেটিভ মার্কিংয়ের কবলে পড়ে নষ্ট হয়ে যায়। একটি সঠিক উত্তর যেখানে আপনার প্লাস ওয়ান (+1) নম্বর নিশ্চিত করে, সেখানে একটি ভুল উত্তর আপনার অর্জন থেকে মাইনাস পয়েন্ট কেটে নিয়ে যায়।
প্রিলিমিনারির এই গোলকধাঁধা ভেদ করে কীভাবে নেগেটিভ মার্কিং এড়াবেন এবং আপনার স্কোরকে একটি নিরাপদ অবস্থানে নিয়ে যাবেন, তার কিছু কার্যকর টেকনিক নিচে আলোচনা করা হলো:
বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক পরীক্ষায় সব প্রশ্নের উত্তর দিয়ে আসার একটা প্রবণতা থাকে, কারণ সেখানে নেগেটিভ মার্কিং থাকে না বা কম থাকে। কিন্তু বিজিএস প্রিলিমিনারি হলো একটি ‘ফিল্টারিং টেস্ট’। এখানে আপনার লক্ষ্য সর্বোচ্চ নম্বর পাওয়া নয়, বরং কাট মার্কস (Cut-off Marks) পার করে মূল লিখিত পরীক্ষার টিকিট নিশ্চিত করা।
যে প্রশ্নগুলোর উত্তর নিয়ে আপনার পুরোপুরি নিশ্চিত ধারণা নেই, সেগুলোতে সরাসরি আন্দাজে টিক না দিয়ে ‘বাদ দেওয়ার নীতি’ বা এলিমিনেশন মেথড ব্যবহার করুন।
মক টেস্ট বা মূল পরীক্ষার হলে প্রশ্নপত্র পাওয়ার পর সেগুলোকে মানসিকভাবে বা পেন্সিলের সাহায্যে তিনটি ভাগে ভাগ করুন:
অনেক সময় নেগেটিভ মার্কিং কেবল না জানার কারণে হয় না, বরং হয় তাড়াহুড়ো বা মনোযোগের অভাবে।
বাসায় বা প্র্যাকটিসের সময় শুধু কত পেলে তা হিসাব করলে চলবে না, বরং ভুল উত্তরের জন্য কত নম্বর কাটা গেল (Negative Marking Analysis) তা নিখুঁতভাবে দেখতে হবে।
নেগেটিভ মার্কিংয়ের হাত থেকে বাঁচার কোনো জাদুকরী শর্টকাট নেই; এটি মূলত সময়ের সাথে অভিজ্ঞতা, বিচক্ষণতা এবং পরীক্ষার হলের ডিসিপ্লিনের মাধ্যমে আয়ত্ত করতে হয়। কোন প্রশ্নটি স্কিপ করতে হবে—এই সিদ্ধান্ত নেওয়াটাই অনেক সময় একজন সফল প্রার্থীকে সাধারণ প্রার্থী থেকে আলাদা করে দেয়।
প্রস্তুতির এই পর্যায়ে নিখুঁতভাবে এমসিকিউ প্র্যাকটিস করা এবং নিজের ভুল বা নেগেটিভ মার্কিংয়ের প্রবণতাগুলো ট্র্যাক করার জন্য নিয়মিত মক টেস্ট দিন। আপনার এই অনুশীলনকে আরও সহজ ও গোছানো করতে Lawentra-এর মতো প্ল্যাটফর্মের মক টেস্ট বা প্র্যাকটিস সেশনগুলোও বেশ কাজে দিতে পারে।
পরীক্ষার হলে অতিরিক্ত লোভ সংবরণ করুন, ঠান্ডা মাথায় সঠিক প্রশ্নটি বেছে নিন। আপনার বিজিএস প্রিলিমিনারি প্রস্তুতি আরও শাণিত হোক!